

আটলান্টা+ ৪০ ডব্লিউ ডি জি
ইমামেকটিন বেনজয়েট + থায়ামেথোক্সাম
Atlanta+ 40WDG
Emamectin Benzoate + Thiamethoxam
ব্যবহারের আগে নির্দেশাবলী ভালোভাবে পড়ে নিন:
আটলান্টা প্লাস ৪০ডব্লিউডিজি প্রতি কেজিতে ২০০ গ্রাম এমামেকটিন বেনজয়েট ও ২০০ গ্রাম থায়ামেথোক্সাম আছে । আটলান্টা প্লাস ৪০ ডব্লিউডিজি স্পর্শক ও পাকস্থলী ক্রিয়া গুনের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অনুপ্রবেশ ক্ষমতা সম্পন্ন কীটনাশক।
প্রয়োগ ক্ষেত্র ও অনুমোদিত মাত্রা:
ফসল | পোকার নাম | অনুমোদিত মাত্রা |
ধান | বাদামী ঘাস ফড়িং | ১২৫ গ্রাম/হেক্টর |
সাবধানতা: আটলান্টা প্লাস ৪০ডব্লিউডিজি খালিগায়ে বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেননা। স্প্রে করার সময় নাক ও মুখ ঢেকে নিন এবং ধুমপান ও পানাহার করবেন না। স্প্রে করার পর শরীর ও কাপড় সাবান পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। ব্যবহারের পর খালি প্যাকেট নষ্ট করে মাটির নিচে পুঁতে ফেলুন। আটলান্টা প্লাস ৪০ডব্লিউডিজি স্প্রে করার অন্তত ১৪ দিনের মধ্যে ক্ষেতের ফসল খাবেন না।
বিষক্রিয়ার লক্ষণ: বমি বমি ভাব, মাথা ধরা, বুক ধড়ফড় করা, অসুস্থতা অনুভব করা, চোখ-মুখ লাল হয়ে যাওয়া, মুখ দিয়ে লালা নিঃসরণ ইত্যাদি।
প্রাথমিক চিকিৎসা: ভুলক্রমে কেউ খেয়ে ফেললে বা পেটে গেলে অল্প লবন মিশ্রিত পানি খাইয়ে বা গলায় আঙ্গুল দিয়ে বমি করান। অচেতন রোগীকে বমি করানোর চেষ্টা করবেন না। সত্ত্বর ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।
প্রতিষেধক: নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক নেই। লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করুন।
গুদামজাতকরণ: স্বাভাবিক আলো বাতাস শুষ্ক, ছায়াযুক্ত স্থানে, চলাচল করে এমন জায়গায়, মানুষ ও পশুখাদ্য হতে দূরে, নিরাপদ স্থানে রাখুন ।